⚠️ এই পৃষ্ঠাটি আপনাকে Atovia-র অংশীদার এবং অ্যাফিলিয়েট বাজারগুলির সাথে সংযুক্ত করে। এই লিঙ্কগুলির মাধ্যমে করা কার্যকলাপের জন্য আমরা অ্যাফিলিয়েট অংশীদারদের থেকে কমিশন পেতে পারি। ছাড়ের অফারগুলি নীতি অনুযায়ী যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে! নিশ্চিত থাকুন, আপনার জন্য কোনো অতিরিক্ত খরচ নেই! আমরা আশা করি এটি আপনার সঠিক আইটেম খুঁজে পেতে সময় বাঁচাবে!
প্রি-সিড ফান্ডিং হলো আইডিয়া বা প্রোটোটাইপ পর্যায়ের এমন তহবিল সংগ্রহ, যা পরবর্তী সিড রাউন্ডের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ তৈরি করতে সাহায্য করে। এই লেখায় আপনি দেখবেন কোন প্রমাণ লাগবে, কত টাকা তুলবেন তার হিসাব কীভাবে করবেন, কাদের কাছে যাবেন, কীভাবে যোগাযোগ করবেন, SAFE ও শেয়ার ডাইলুশন কী, এবং চুক্তির আগে কোন নথি গুছিয়ে রাখবেন।
- প্রি-সিড ফান্ডিং আসলে কী এবং এর লক্ষ্য কী
- রাউন্ডে নামার আগে কোন প্রমাণ জোগাড় করবেন
- কত টাকা তুলবেন: লক্ষ্য ধরে উল্টো হিসাব
- পিচ ডেক ও এক পাতার সারসংক্ষেপ তৈরি
- কাদের কাছে যাবেন: ইনভেস্টর লিস্ট তৈরি
- যোগাযোগ ও মিটিং: সমান্তরাল প্রক্রিয়া
- SAFE কী এবং শেয়ার ডাইলুশন কীভাবে হিসাব করবেন
- চুক্তির আগে নথি যাচাই: কোম্পানি, শেয়ার, আইপি
- ভারতীয় প্রতিষ্ঠাতাদের জন্য সতর্কতা ও সাধারণ ভুল
- প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
- পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রি-সিডের লক্ষ্য হলো পরের রাউন্ডের জন্য প্রমাণ তৈরি করা, শুধু টাকা জোগাড় করা নয়।
- টাকার অঙ্ক ঠিক করুন লক্ষ্য ধরে উল্টো হিসাব করে: কী অর্জন দেখাতে হবে, তার খরচ কত, কত সময় লাগবে, আর দেরির জন্য কতটা মার্জিন লাগবে।
- প্রোটোটাইপ, ওয়েটলিস্ট বা ছোট পাইলট চাহিদার প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।
- ইনভেস্টর তালিকা, ছোট সারসংক্ষেপ ও পিচ ডেক আগে তৈরি রাখুন এবং মিটিং সমান্তরালে চালান।
- SAFE মার্কিন ধাঁচের চুক্তি। এটি ভারতে সরাসরি প্রযোজ্য ধরে নেবেন না।
- চুক্তির আগে কোম্পানি ও শেয়ারের নথি গুছিয়ে আইনজীবী বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের পরামর্শ নিন।
প্রি-সিড ফান্ডিং আসলে কী এবং এর লক্ষ্য কী
প্রি-সিড হলো একদম প্রাথমিক পর্যায়ের তহবিল, যখন আপনার হাতে আইডিয়া বা প্রোটোটাইপ আছে, কিন্তু বড় ব্যবসা এখনো দাঁড়ায়নি। এর মূল কাজ হলো পরবর্তী সিড রাউন্ডে দেখানোর মতো প্রমাণ তৈরি করা, যেমন ব্যবহারকারীর আগ্রহ, কাজ করা পণ্য বা প্রাথমিক ফলাফল। [S1]
নিচের ছকটি পর্যায় দুটির সাধারণ পার্থক্য বোঝানোর জন্য। এটি সাধারণ ধারণা, কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা নিয়ম নয়।
| দিক | প্রি-সিড | সিড |
|---|---|---|
| উদ্দেশ্য | পরের রাউন্ডের জন্য প্রমাণ তৈরি করা | প্রি-সিডে অর্জিত প্রমাণের ওপর ভর করে পরের ধাপে এগোনো |
| পর্যায় | আইডিয়া বা প্রোটোটাইপ | প্রাথমিক প্রমাণ তৈরির পরের পর্যায় |
| বিনিয়োগকারী কী দেখেন | সমস্যার স্পষ্টতা, প্রথম সাড়া, দলের সক্ষমতা | প্রমাণের অগ্রগতি ও পরের লক্ষ্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা |
রাউন্ডে নামার আগে কোন প্রমাণ জোগাড় করবেন
বিনিয়োগকারীরা সাধারণত আইডিয়ার চেয়ে প্রমাণ দেখে ভরসা পান। প্রি-সিড পর্যায়ে চাহিদার প্রমাণের উদাহরণ হতে পারে একটি কাজ করা প্রোটোটাইপ, একটি ওয়েটলিস্ট বা একটি ছোট পাইলট। [S1]

রাউন্ডে নামার আগে এই চেকলিস্ট মিলিয়ে নিন:
- আপনি কোন সমস্যার সমাধান করছেন, তা এক-দুই বাক্যে স্পষ্ট করে লিখতে পারছেন কি না।
- প্রথম ব্যবহারকারীদের সাড়া কেমন, তার কোনো দেখানোর মতো চিহ্ন (ওয়েটলিস্ট, পাইলটের ফল, মতামত) আছে কি না।
- দলের কাছে পণ্যটি বানানোর দক্ষতা আছে কি না এবং তা কীভাবে দেখাবেন।
- প্রোটোটাইপ বা ডেমো এমন অবস্থায় আছে কি না যে অন্যকে দেখানো যায়।
কত টাকা তুলবেন: লক্ষ্য ধরে উল্টো হিসাব
“কত তুলবেন” প্রশ্নের উত্তর কোনো গড় সংখ্যায় নেই। ভালো পদ্ধতি হলো পরের রাউন্ডে কী অর্জন দেখাতে হবে তা ঠিক করা, তারপর সেই অর্জনের খরচ ও সময় থেকে উল্টো হিসাব করা। পরিকল্পনা পিছিয়ে যেতে পারে, তাই সেই দেরির জন্য কিছুটা বাড়তি মার্জিন রাখাও জরুরি। [S1]

হিসাবের ধাপগুলো:
- লক্ষ্য: পরের রাউন্ডের আগে কোন অর্জন দেখাতে চান, তা লিখুন।
- খরচ: সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে দল, পণ্য ও বিপণনে মাসে কত লাগবে, তা হিসাব করুন।
- সময়: লক্ষ্যে পৌঁছাতে কত মাস লাগবে, তা ধরুন।
- মার্জিন: দেরি বা অপ্রত্যাশিত খরচের জন্য বাড়তি অংশ যোগ করুন।
অনেক গাইডে ১২–১৮ মাসের রানওয়ের কথা বলা হয়। এটি শুধু একটি নির্দেশক। ব্যবসার ধরন, দল ও খরচ অনুযায়ী এটি বদলায়, এবং এটি ভারতের গড় বা কোনো নিশ্চয়তা নয়। [S1]

| ধাপ | উদাহরণ (কাল্পনিক সংখ্যা, বাস্তব তথ্য নয়) |
|---|---|
| লক্ষ্য | ১০০ জন সক্রিয় ব্যবহারকারীর পাইলট সম্পন্ন করা |
| মাসিক খরচ | ধরুন মাসে ৩ লক্ষ টাকা |
| সময় | ধরুন ১২ মাস, ফলে ৩ লক্ষ × ১২ = ৩৬ লক্ষ টাকা |
| দেরির মার্জিন | ধরুন আরও ৩ মাসের খরচ, অর্থাৎ ৯ লক্ষ টাকা যোগ করে মোট ৪৫ লক্ষ টাকা |
এই সংখ্যাগুলো শুধু হিসাবের পদ্ধতি বোঝানোর জন্য বানানো। আপনার নিজের খরচ ও লক্ষ্য বসিয়ে নিজের অঙ্কটি বের করুন।
পিচ ডেক ও এক পাতার সারসংক্ষেপ তৈরি
এমন পিচ ডেক বানান, যা আপনি সামনে না থেকেও পাঠকের কাছে বোধগম্য হয়। সঙ্গে একটি ছোট ব্যবসায়িক সারসংক্ষেপ রাখুন, যা বিনিয়োগকারী দ্রুত পড়ে নিতে পারেন। [S1]

স্লাইডের একটি সাধারণ ক্রম (এটি পরামর্শ, কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নয়):
- সমস্যা
- আপনার সমাধান
- এ পর্যন্ত অর্জিত প্রমাণ
- বাজার
- দল
- কত টাকা চাইছেন এবং তা কীসের জন্য
“কত টাকা ও কীসের জন্য” স্লাইডে আগের অংশের উল্টো হিসাবের ফলটিই কাজে লাগান, যাতে টাকার অঙ্কের পেছনে যুক্তি দেখা যায়।

কাদের কাছে যাবেন: ইনভেস্টর লিস্ট তৈরি
প্রি-সিড পর্যায়ে সাধারণত এঞ্জেল ও আর্লি-স্টেজ বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হতে পারেন। কাকে তালিকায় রাখবেন, তা ঠিক করতে এই মানদণ্ডগুলো দেখুন:
- সেক্টর: আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে তাঁদের আগ্রহ আছে কি না।
- চেক সাইজ: আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে তাঁদের সাধারণ বিনিয়োগের পরিমাণ মেলে কি না।
- পর্যায়: তাঁরা আপনার মতো প্রাথমিক পর্যায়ে বিনিয়োগ করেন কি না।
তালিকা বানানোর আগে নিজের দেশ ও অবস্থানের উপযোগী সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ-নেটওয়ার্ক খুঁজে নিজে যাচাই করে নিন। উদাহরণ হিসেবে, কোরিয়ায় সরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগ-প্রক্রিয়া ও চুক্তি-সংক্রান্ত শিক্ষা ও পরামর্শের ব্যবস্থা আছে, কিন্তু সেটি ভারতের জন্য প্রযোজ্য নয়। [S3][S4]

🛒 প্রস্তাবিত পণ্য
যোগাযোগ ও মিটিং: সমান্তরাল প্রক্রিয়া
মিটিং একজনের পর একজন করে না করে সমান্তরালে চালানোই ভালো। এতে আপনি বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর প্রতিক্রিয়া তুলনা করতে পারেন এবং প্রক্রিয়া অকারণে লম্বা হয় না। [S1]
ধাপগুলোর ক্রম (নির্দিষ্ট দিন বা সপ্তাহ নয়, শুধু ক্রম):
- ইনভেস্টর তালিকা চূড়ান্ত করুন।
- প্রথম যোগাযোগ করুন, সঙ্গে ছোট সারসংক্ষেপ দিন।
- আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মিটিং সমান্তরালে চালান।
- প্রতিটি মিটিংয়ের পর ফলো-আপ করুন এবং তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দিন।
SAFE কী এবং শেয়ার ডাইলুশন কীভাবে হিসাব করবেন
SAFE হলো এমন একটি চুক্তি, যেখানে বিনিয়োগকারী আগে টাকা দেন এবং ভবিষ্যতে শেয়ারে রূপান্তরের অধিকার পান। রূপান্তরের আগে SAFE নিজে শেয়ার নয়। [S2]

Y Combinator-এর মার্কিন পোস্ট-মানি SAFE-এর উদাহরণে বিক্রীত শেয়ারের হার হিসাব হয় এভাবে: বিনিয়োগের পরিমাণ ÷ ক্যাপ। ধরুন ১০ লক্ষ ডলার বিনিয়োগ এবং ৬.৭ মিলিয়ন ডলার ক্যাপ, তাহলে হিসাব দাঁড়ায় প্রায় ১৫%। এটি শুধু ওই নির্দিষ্ট উদাহরণ, প্রচলিত বা সাধারণ শর্ত নয়। [S2]
SAFE ও প্রাইসড রাউন্ডের একটি সাধারণ তুলনা (ধারণার স্তরে):
| দিক | SAFE | প্রাইসড রাউন্ড |
|---|---|---|
| গঠন | আগে টাকা, ভবিষ্যতে শেয়ারে রূপান্তরের অধিকার [S2] | শেয়ার ইস্যুর সময় মূল্য নির্ধারণ হয় |
| শেয়ার কখন তৈরি হয় | রূপান্তরের সময়, তার আগে নয় [S2] | রাউন্ড চূড়ান্ত হওয়ার সময় |
| মনে রাখার বিষয় | মার্কিন ধাঁচের চুক্তি, ভারতে সরাসরি প্রযোজ্য ধরা যাবে না | শর্ত ও নথি আইনজীবীর সঙ্গে যাচাই করুন |

সতর্কতা: SAFE-এর কাঠামো ও এই হিসাব মার্কিন প্রেক্ষাপটের। ভারতে আপনার কোম্পানির অবস্থান ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কী প্রযোজ্য, তা আইনজীবী বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাছ থেকে জেনে নিন। [S2]
চুক্তির আগে নথি যাচাই: কোম্পানি, শেয়ার, আইপি
চুক্তির আগে বিনিয়োগকারী ও তাঁর আইনজীবী নথি দেখতে চাইতে পারেন। আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে প্রক্রিয়া মসৃণ হয়। তহবিল কীভাবে ব্যবহার করবেন তার পরিকল্পনা, কোম্পানির শেয়ার-রেকর্ড, ডিউ-ডিলিজেন্সের নথি এবং আইনি পর্যালোচনা এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ। [S5]
নথি-যাচাই চেকলিস্ট:

- তহবিল কোন কাজে ব্যবহার হবে তার লিখিত পরিকল্পনা।
- কোম্পানির শেয়ার-রেকর্ড হালনাগাদ ও সঠিক আছে কি না।
- ডিউ-ডিলিজেন্সে চাওয়া হতে পারে এমন নথি এক জায়গায় গোছানো আছে কি না।
- পণ্য বা প্রযুক্তির বৌদ্ধিক সম্পদের মালিকানা এবং প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যকার চুক্তি স্পষ্ট আছে কি না। সাধারণত বিনিয়োগকারীর আইনজীবীরা এসব দেখতে চাইতে পারেন, তাই আপনার আইনজীবীর সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
- চুক্তি সই করার আগে একজন আইনজীবীকে দিয়ে পর্যালোচনা করিয়েছেন কি না। [S5]
ভারতীয় প্রতিষ্ঠাতাদের জন্য সতর্কতা ও সাধারণ ভুল
এই গাইডের অনেক সূত্র মার্কিন পরিবেশ ধরে লেখা। মার্কিন ধাঁচের SAFE, কোম্পানি-কাঠামো ও সিকিউরিটিজ আইন ভারতে সরাসরি প্রযোজ্য ধরে নেওয়া যাবে না। ভারতের নিয়ম আলাদা, তাই আপনার কোম্পানির অবস্থান ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আইনজীবী বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের পরামর্শ নিন। [S1][S2]
সাধারণ ভুলগুলো:

- চাহিদা বা অগ্রগতির প্রমাণ ছাড়া রাউন্ডে নামা।
- লক্ষ্য ও খরচের হিসাব না করে এলোমেলোভাবে টাকার অঙ্ক ঠিক করা, ফলে অতিরিক্ত বা কম চাওয়া।
- নথি অগোছালো রেখে শেষ মুহূর্তে হুড়োহুড়ি করা।
- একজন বিনিয়োগকারীর ওপর পুরোপুরি নির্ভর করা, অথচ মিটিং সমান্তরালে চালানো উচিত। [S1]
- বিদেশি চুক্তির কাঠামো নিজের দেশের জন্য প্রযোজ্য কি না, তা না যাচাই করেই ব্যবহার করা।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রি-সিডে কত টাকা তোলা উচিত?
কোনো সর্বজনীন সংখ্যা নেই। পরের রাউন্ডে কী অর্জন দেখাতে হবে, তার খরচ ও সময় থেকে উল্টো হিসাব করুন এবং দেরির জন্য মার্জিন যোগ করুন। [S1]
প্রোডাক্ট ছাড়া কি তহবিল তোলা যায়?
এটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তবে প্রোটোটাইপ, ওয়েটলিস্ট বা ছোট পাইলটের মতো চাহিদার প্রমাণ থাকলে বিনিয়োগকারীর কাছে আপনার অবস্থান শক্ত হয়। [S1]

SAFE কি ভারতে বাধ্যতামূলক বা সর্বজনীন?
না, এমন ধরে নেওয়া যাবে না। SAFE মার্কিন ধাঁচের চুক্তি। ভারতে এটি কীভাবে প্রযোজ্য, তা আইনজীবীর কাছে যাচাই করুন। [S2]
ডাইলুশন কীভাবে হিসাব করব?
Y Combinator-এর মার্কিন পোস্ট-মানি SAFE-এর উদাহরণে বিনিয়োগ ÷ ক্যাপ দিয়ে বিক্রীত শেয়ারের হার পাওয়া যায়। ১০ লক্ষ ডলার ও ৬.৭ মিলিয়ন ডলার ক্যাপে এটি প্রায় ১৫%। এটি শুধু উদাহরণ। একাধিক রাউন্ডের জটিল হিসাবের জন্য পেশাদারের সাহায্য নিন। [S2]
কতজন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলা উচিত?
কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা যায় না। এটুকু বলা যায় যে আগে থেকে একটি তালিকা বানিয়ে রাখুন এবং মিটিংগুলো একে একে না করে সমান্তরালে চালান। [S1]
পরবর্তী পদক্ষেপ
উপরের চেকলিস্টগুলো নিজের পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে নিন, তারপর মূল সূত্রটি পড়ে আরও বিস্তারিত জেনে নিন।
- Foundersbase, “How to Raise a Pre-Seed Round for Your Startup” (২০২৬)
- Y Combinator, “The SAFE: The standard way startups raise money”
- কে-স্টার্টআপ শিক্ষা, “বিনিয়োগ আকর্ষণ ও এক্সিট কৌশল” (কোরিয়ার উদাহরণ, ভারতের জন্য নয়)
- কে-স্টার্টআপ ওয়ান-স্টপ সেন্টার, বিনিয়োগ আকর্ষণ বিষয়ক সহায়তা (কোরিয়ার উদাহরণ, ভারতের জন্য নয়)
- Lowenstein Sandler LLP, “Preparing for a Pre-Seed Financing Round”
আরও তুলনা ও কেনাকাটার গাইড চান?
আমাদের সম্প্রদায়ে যোগদান করুন
এই নিবন্ধটি উদ্ধৃত করার সময়
সূত্র: Atovia (Atovia). https://atovia.kr